Constitution of Forum

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

“এক্স-স্টুডেন্ট ফোরাম অব মনোহরগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল এন্ড কলেজ এর গঠনতন্ত্র”।

ভুমিকাঃ মনোহরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রছাত্রীদের কল্যাণে এবং প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সৌহার্দ ও সম্প্রীতি বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০১৮ খ্রি. সনের জুন মাসের ১৯ তারিখে এক্স – স্টুডেন্ট ফোরাম অব মনোহরগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ নামক ফোরামটি গঠন করা হয় যাহা একটি অরাজনৈতিক ও কল্যাণমূলক সংঠন হিশেবে পরিচিত হইবে এবং ফোরামের প্রতিটি সদস্যই ফোরামের কল্যাণে স্বাধীনভাবে তাদের মুল্যবান মতামত (গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী না হইলে) প্রদান করিতে পারিবেন।

নামঃ
ধারা ০১ঃ এক্স – স্টুডেন্ট ফোরাম অব মনোহরগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ।
ধারা ১ (ক):
সংগঠনের প্রকৃতি: অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক,গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমূলক সংগঠন।

সংগঠনের থিমঃ
ধারা ০২ঃ Let’s Maka A Change Together.

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যেঃ
ধারা ৩
ক) একতাবদ্ধ হয়ে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ এবং সম্প্রীতি বাড়ানো।
খ) শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা করা এবং শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

মনোগ্রামঃ
ধারা ৪

পৃথিবীর গ্রিডের মাঝে মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানচিত্র এবং এর চারপাশকে ঘিরে বিভিন্ন বর্ণের ৬ টি হাতের মেলবন্ধন যাহা ফোরামের থিম কে উপস্থাপন করে এবং বিভিন্ন ধর্ম,বর্ণ,বয়স ,লিঙ্গ ভেদাভেদ ভুলে সকলকে একই অবস্থানে মিলিত করে । উপরে থাকিবে EX-STUDENTS FORUM OF MONOHORGANJ HIGH SCHOOL AND COLLEGE এবং নিচে থাকিবে EST. 2018

সংগঠনের গঠন কাঠামোঃ
ধারা ৫

প্রাথমিক স্তর: সদস্য
দ্বিতীয় স্তর: কো-অর্ডিনেটরস
তৃতীয় স্তর: প্রাইম কো-অর্ডিনেটরস
চতুর্থ স্তর: এম ৭১
এম ৭১ এর তিনটি স্তর
ক) নির্বাহী কমিটি
খ) উপদেষ্টা কমিটি
গ) স্থায়ী কমিটি
পঞ্চম স্তর: অ্যাডমিন,মডারেটর্স এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এম ৭১ বিদ্যমান না থাকলে এই স্তর প্রাইম কো-অর্ডিনেটরদের নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন কিন্তু এম ৭১ বিদ্যমান থাকিলে এই স্তর স্থায়ী কমিটিতে একীভূত হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করিবে।

সদস্যপদ-
ধারা ৬
মনোহরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের যে কোন সাবেক শিক্ষার্থী ন্যূনতম একটি শিক্ষা বছর শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষাকাল অতিবাহিত করিলে এবং শিক্ষার্থীর ব্যাচ যদি এস এস সি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকে এবং যদি তিনি অনলাইন বা অফলাইনে সদস্য ফরম পূরণ করে অথবা ফেসবুক ফোরামে যুক্ত হয় তবে তিনি উক্ত ফোরামের সদস্য বিবেচিত হইবেন।

সদস্যের দায়িত্ব ও কর্তব্য-
ধারা ৭

ক) ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট হওয়া।
খ) এম৭১, প্রাইম কো-অর্ডিনেটর ও কো-অর্ডিনেটরদের কাজে সহযোগিতা করা।

সদস্যের অধিকার-
ধারা ৮

ক) ফোরামের সকল সদস্য সমান মর্যাদার অধিকারী হইবে।
খ) নিয়ম মানিয়া সকল সদস্যই কো-অর্ডিনেটর, প্রাইম কো-অর্ডিনেটর এবং এম৭১ এর যে কোন কমিটিতে সদস্য হইবার জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।

সদস্যপদ বাতিল ও শূন্যপদ পূরণ-
ধারা ৯

ক) একজন সাধারণ সদস্য আজীবন ফোরামের সদস্য থাকিবেন।
খ) সদস্য যদি এম৭১ এর যে কোন কমিটিতে থাকেন এবং তিনি যদি মানসিক ভাবে অক্ষম থাকেন অথবা ০৬ মাস ফোরামের কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় থাকেন অথবা বিধিবদ্ধ দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেন অথবা দায়িত্ব হতে অব্যাহতি নেন অথবা মৃত্যুবরণ করিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এম৭১ হতে তার সদস্যপদ বাতিল/শূন্য হইবে।

গ) এম৭১ এ কেন সদস্য মেয়াদ পূর্ণ করিলে এবং তিনি যদি পুনরায় এম৭১ এর সদস্য হইবার জন্য মনোনীত বা নির্বাচিত না হন এবং তিনি যদি কর্ডিনেটর হিসেবে না থাকেন তাহলে তিনি ফোরামের সাধারণ সদস্য হিসেবে থাকিবেন। এছাড়া এম৭১ এর সদস্যের সদস্যপদ এম৭১ থেকে বাতিল হইলে তিনি সাধারণ সদস্য হিসেবে থাকিবেন।

ঘ) প্রাইম কো-অর্ডিনেটর বা কো-অর্ডিনেটরের পদ পদত্যাগ বা অসুস্থতা বা মৃত্যুজনিত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা অন্য কোনো কারণে শূন্য হইলে ব্যাচ ৩০ দিনের মধ্যে দায়িত্বরত প্রাইম এক্সকিউটিভের সাথে সমন্বয় করে নতুন প্রতিনিধি মনোনীত করিবে।

ঙ) প্রাইম কো-অর্ডিনেটর এবং এডমিন/মডারেটর ব্যতিত এম৭১ এর অন্য কোন সদস্যের পদ শূন্য হইলে প্রাইম এক্সিকিউটিভ প্যানেল নির্বাহী কমিটির সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে স্থায়ী কমিটিতে প্রস্তাব পাঠাইবেন। স্থায়ী কমিটি অনুমোদনের পর তা চূড়ান্ত হইবে।

চ) এডমিন বা মডারেটরের পদ শূন্য হইলে এম৭১ এর সদস্যবৃন্দ স্থায়ী কমিটি থেকে নতুন এডমিন/মডারেটর নির্বাচন করিবেন,তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে তা পালন করবেন. নতুনভাবে নির্বাচিত এডমিন ও মডারেটরদের মেয়াদ কাল ঐ সেশন এ স্থায়ী কমিটির মেয়াদকাল পর্যন্ত হইবে।

ছ) ফোরামকে কেউ রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িকভাবে ব্যবহার করতে চাইলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে সদস্যপদ স্হগিত বা বাতিল করা হবে. সেই ক্ষেত্রে তিনি যদি এম৭১ এর সদস্য হন তবে তা কার্যকর করবেন স্থায়ী কমিটি, এম৭১ এর সদস্য না হলে প্রাইম এক্সকিউটিভ নির্বাহী প্যানেল এর সহযোগিতায়, স্থায়ী কমিটির সাথে আলোচনা করে তা কার্যকর করবেন.

জ) গুরুতর কোন অপরাধের জন্য দেশে বা বিদেশে, সেই দেশের সাধারণ আইন, নিয়মতান্ত্রিক কোনো আদালত কর্তৃক সাজা প্রাপ্ত হলে সদস্যপদ বাতিল হবে|

পদত্যাগ
ধারা ১০

স্থায়ী ব্যতীত এম ৭১ এর কোন সদস্য দায়িত্ব পালনে অপারগ হইলে প্রাইম এক্সিকিউটিভ এর নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিবেন। প্রাইম এক্সিকিউটিভ স্থায়ী কমিটির সাথে অালোচনা করে পদত্যাগপত্র গ্রহণ বা বর্জন করবেন এবং যথাযথ উদ্যোগ নিবেন।কো-অর্ডিনেটর হলে পদত্যাগ পত্র দিবেন প্রাইম কো-অর্ডিনেটরের কাছে, তিনি প্রাইম এক্সকিউটিভের সাথে পরামর্শ করে তা গ্রহণ বা বর্জন করবেন. স্থায়ী কমিটির সদস্য হলে পদত্যাগ পত্র দিবেন এডমিনের কাছে, তিনি স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্যদের সাথে পরামর্শ করে তা গ্রহণ বা বর্জন করবেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যেগ নিবেন.

সিদ্ধান্ত গ্রহনের নিয়মাবলী –
ধারা ১১

ক) এম৭১ এর বার্ষিক সম্মেলনে পরবর্তী ১ বছরের কার্যক্রম ও পদক্ষেপ চূড়ান্ত করা হইবে।
খ) কোন সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম প্রাইম এক্সিকিউটিভ এর নিকট প্রস্তাব আকারে গৃহিত হইবে।
গ) দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রাইম এক্সিকিউটিভ এডমিনের সাথে আলোচনা পূর্বক প্রস্তাবনা যাচাই বাছাই ও উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শক্রমে নির্বাহী কমিটির সমর্থনেরর জন্য অনলাইনে অথবা সভায় পাঠাবেন।
প্রস্তাবনা দৈনন্দিন কার্যাবলীর আওতাভূক্ত হলে নির্বাহী কমিটির সভায় অথবা অনলাইনে সর্বনিম্ন ৩৫% সদস্যের মতামত থাকিতে হইবে। নির্বাহী কমিটিতে গৃহীত সিদ্ধান্ত স্থায়ী কমিটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হইবে। স্থায়ী কিমিটির কমপক্ষে ০৭ জন ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবেন। এক্ষেত্রে কেউ ভোট প্রদানে বিরত থাকলে এবং পক্ষে বিপক্ষে ভোট সংখ্যা সমান হইলে এডমিন ও মডারেটরদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।
ঘ) প্রস্তাবনা নীতিনির্ধারণী বিষয়ে হইলে এম-৭১ এর কমপক্ষে ৫১% সদস্যের উপস্থিতি বা মতের মাধ্যমে দুই তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত হইবে।

গঠনতন্ত্রের সংশোধনী-
ধারা ১২

গঠনতন্ত্রের যে কোন ধারার সংযোজন, সংশোধন অথবা বিয়োজনের জন্য প্রাইম-এক্সিকিউটিভ এম ৭১ এর সভায় প্রস্তাব আকারে উত্থাপন করিবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে স্থায়ী কমিটি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাময়িকভাবে কোন উপধারা যোগ করিতে পারিবে এবং পরবর্তীতে সেটা এম৭১ এর সভায় অনুমোদন করিয়ে নিতে হইবে। তবে শর্ত থাকিবে যে নতুন গৃহিত উপধারা গঠন কাঠামোর মূল বিষয়গুলো সাথে সাংঘর্ষিক হইবেনা। গঠনতন্ত্রের অনুমোদন এবং সংশোধনী এম ৭১ এর সভায় কমপক্ষে ৫১% সদস্যের উপস্থিতিতে দুই তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহিত হইতে হইবে।

M71-
ধারা ১৩

ক) M71গঠনঃ M71 এর মোট সদস্য সংখ্যা হইবে ৭১ জন। ৫ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের একজন অ্যাডমিন, ৩ জন মডারেটর্স, অপর সদস্য নুরুল আফসার বাহার এবং প্রত্যেকটি ব্যাচ হতে একজন করে প্রাইম কো-অর্ডিনেটর M71 এর সরাসরি সদস্য হিসেবে বিবেচিত হইবেন। ৭১ জন সদস্য সংখ্যা পূরণে অবশিষ্ট শূন্যপদগুলো নির্দিষ্ট মানদন্ডের ভিত্তিতে এডমিন-মডারেটরস্ গণ ও প্রাইম কো-অর্ডিনেটরদের সম্মিলিত সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত করা হইবে। এম৭১ এর সদস্যগণ ৩টি কমিটিতে বিভাজিত হইবে।

খ) স্থায়ী কমিটিঃ স্থায়ী কমিটি হইবে ১০ সদস্যের সমন্বয়ে ফোরামের সর্বোচ্চ কমিটি। তাদের হাতে ন্যস্ত থাকিবে যেকোন কার্যক্রম অনুমোদন সহ সিদ্ধান্ত গ্রহন। যেখানে প্রতিষ্ঠাতা ৫ জন সদস্য, এডমিন, মডারেটরগণ এবং নুরুল আফসার বাহার এর পদ সংরক্ষিত থাকবে। স্থায়ী কমিটির বাকি ০৫ জন সদস্যগণকে এম৭১ এর অবশিষ্ট ৬৬ সদস্য হতে এম৭১ এর ৭১ সদস্য সর্বসম্মতিতে বা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে নির্বাচন করিবে। স্থায়ী কমিটির মেয়াদ হইবে ০৫ বছর। স্থায়ী কমিটির এডমিন এবং মডারেটরস্ গণের ০৫ টি পদ সংরক্ষিত থাকা সাপেক্ষে ০৫ বছর পরপর কমিটি পুনঃগঠিত হইবে।

গ) উপদেষ্টা কমিটিঃ১০ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি ফোরামের কার্যাদি পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে স্থায়ী কমিটিতে মতামত প্রেরণ করিবেন। উপদেষ্টা কমিটির মেয়াদ ৩ বছর।

ঘ) নির্বাহী কমিটিঃ নির্বাহী কমিটিতে ৫১ জন সদস্য ৩ জনের একটি Prime Executive এবং ৩ জনের একটি Assistant Prime Executive প্যানেল নির্বাচন করবেন। এই প্যানেল হতে পালাক্রমে Prime Executive and Assistant Prime Executive এর দায়িত্ব পালন করবে ১ বছর করে। প্রতি ১ বছর পর পর একজন থেকে আরেকজন দায়িত্ব নিবেন। কার পরে কে হইবেন তা স্থায়ী কমিটি ঠিক করিয়া দিবে। প্যানেল দুইটি কাজের জন্য স্থায়ী কমিটির নিকট দায়বদ্ধ থাকিবেন এবং সকল দাপ্তরিক কাজ করিবেন।

এডমিন এবং মডারেটরস্-
ধারা ১৪

ক) ১ জন এডমিন এবং ৩ জন মডারেটর ও ১জন প্রতিষ্ঠাতা স্থায়ী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য হিসেবে থাকিবেন এবং অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন। এডমিন স্থায়ী কমিটি এবং এম ৭১ এর প্রধান থাকিবেন।

খ)১৩(ক) উপধারার কারও বিরুদ্ধে গুরুতর অসদাচরণ, শৃঙ্খলাভঙ্গ অথবা ফোরামের স্বার্থ বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ পাওয়া গেলে ২৫ জন এম৭১ সদস্যের স্বাক্ষর সম্বলিত অনাস্থাপ্রস্তাব প্রাইম এক্সিকিউটিভ এর নিকট জমা দিবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রাইম-এক্সিকিউটিভ এবং ১ জন এডমিন/ মডারেটর এবং ১ জন জন উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মিলে তদন্ত কমিটি গঠন করিবেন এবং পরবর্তীতে এম৭১ কমপক্ষে ৫১% সদস্যের উপস্থিতিতে দুই তৃতীয়াংশ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহিত হইবে।

প্রাইম কো-অর্ডিনেটর এবং কো-অর্ডিনেটরস্-
ধারা ১৫

প্রত্যেকটি ব্যাচের সদস্যগণ নিজেদের মধ্য হতে অনূন্য ০৭ জন হইতে শুরু করিয়া অনধিক ১৫ জন সদস্যকে প্রতি ৩ বছরের জন্য কো-অর্ডিনেটর হিসেবে নির্বাচিত করিবেন। উক্ত নির্বাচিত কো-অর্ডিনেটর সদস্যগণ একজন কো-অর্ডিনেটরকে প্রাইম কো-অর্ডিনেটর হিসেবে ৩ বছরের জন্য নির্বাচিত করিবেন। প্রাইম-কর্ডিনেটর এম ৭১ এর সদস্য হইবেন এবং এম ৭১ এ ব্যাচের প্রতিনিধিত্ব করিবেন।

কোন কো-অর্ডিনেটর বা প্রাইম কো-অর্ডিনেটর নিষ্ক্রিয় থাকিলে ঐ ব্যাচের একাধিক কো-অর্ডিনেটর বা প্রাইম কো-অর্ডিনেটর বা ১০ জনের অধিক সদস্য লিখিতভাবে প্রাইম এক্সেকিউটিভকে জানালে তিনি স্থায়ী কমিটির সাথে পরামর্শ করে ‘আস্থা ভোটের’ ব্যবস্থা নিবেন. যদি প্রাইম কো-অর্ডিনেটর বা কোন কো-অর্ডিনেটর সংখ্যা গরিষ্ট কো-অর্ডিনেটরের সমর্থন না পান তাহলে তিনি অপসারিত হবেন। সংখাগরিষ্টের সমর্থনে তার স্তলে নতুন কেউ দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে।

ফান্ড-
ধারা ১৬

ফোরামের জন্য ০৩ সদস্য বিশিষ্ট ফান্ড কমিটি থাকিবে। যাহাদেরকে বলা হবে “একাউন্ট ম্যানেজার”। যাহাদের মধ্যে থাকিবেন ০১ জন মডারেটর এবং অপর ২ জন সকলের আস্থাভাজন যেকোনো প্রাইম কো-অর্ডিনেটর বা কো-অর্ডিনেটর। তারাই ফোরামের আয়, ব্যয় পরিচালনা করিবেন।

সকলের আস্থাভাজন উপযুক্ত ১-৩ সদস্যের অডিট কমিটি প্রতি বছর M71 এর বাৎসরিক মিটিংয়ের পূর্বে স্থায়ী কমিটি গঠন করে দিবেন। অডিট কমিটি স্বাধীন ভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, একাউন্ট ম্যানেজার্সগণ এবং এম ৭১ তাদের কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন। অ্যাডমিন এর মাধমে অডিট কমিটি’র রিপোর্ট বাৎসরিক মিটিংয়ে উপস্থাপন করবেন।

গঠনতন্ত্রের উপযোগিতা-
ধারা ১৭

গঠনতন্ত্র ফোরামের মৌলিক বিধান। ফোরামে গৃহিত কোন নীতিমালা গঠনতন্ত্রের সাথে সংঘর্ষিক হইলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উক্ত নীতিমালা সংশোধন করিয়া নিতে হইবে।গঠনতন্ত্রের কোন ব্যাখ্যা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে স্থায়ী কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত বলে গৃহীত হইবে।

Top Events
Categories
Tags